বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলতে থাকবে: হাসনাত

 


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে থাকবে এবং এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় কুমিল্লার দেবিদ্বারে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এই মন্তব্য করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "পৃথিবীর অনেক দেশে বিপ্লব হয়েছে এবং তার পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানের প্ল্যাটফর্মটি সৃষ্ট হয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে থাকবেই। তারা কালচারাল কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং বিচারের দাবিতে সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।

তবে, হাসনাত আব্দুল্লাহ এও বলেন, "সমন্বয়ক পরিচয়ে কেউ বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবে না। সমন্বয়ক পরিচয়ে কেউ আইন পরিপন্থী কাজ করতে পারবে না। যদি কেউ এমন কাজ করেন, তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে।"

এনসিপির নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "জাতীয় নাগরিক পার্টির ব্যানারে আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি। একটি দলের নিবন্ধন করতে হলে কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে হয় এবং সাংগঠনিক বিস্তারের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা প্রথমত যে বিষয়টিতে মনোযোগ দিচ্ছি, তা হচ্ছে আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার। এর মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারব। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছি এবং ইলেক্টোরাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের পথ চলতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করছি ভোটে জেতার জন্যই। সেই লক্ষ্যেই আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

এসময় অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "আবার যদি কোনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে চায়, তাহলে তাদেরকে প্রতিরোধ করা হবে। আমরা আওয়ামী লীগকে তাড়িয়েছি, আবার কোনো ফ্যাসিবাদ ডেকে আনার জন্য নয়। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের ক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দলগুলোর যে অবস্থান ছিল, তা এখনো রয়েছে।"

এর আগে, দেবিদ্বারে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন এনসিপির এ নেতা। কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আবুল খায়ের, সাংবাদিক বাবুল আহমেদ প্রমুখ।


Post a Comment

0 Comments